বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা
ওজন স্তর ধ্বংস করবে স্যাটেলাইটের পোড়া অংশ
টেক স্ক্রল
প্রকাশ: ০৯:৫৯, ৪ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ১৪:১৬, ৪ মার্চ ২০২৬
ওজন স্তর ধ্বংস করবে স্যাটেলাইটের পোড়া অংশ
বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা
স্যাটেলাইট একসময় অকেজো হয়ে যায়। এই নষ্ট স্যাটেলাইটকে কী করা হয়?
পৃথিবীর কক্ষপথে এখন স্যাটেলাইটের সংখ্যা প্রায় ১৫ হাজার। এগুলো সক্রিয়। এছাড়া প্রতিবছর এমন হাজারো যন্ত্র আকাশে পাঠানো হচ্ছে। যেমন, ২০২৪ সালে শুধু স্পেসএক্স ১৩৪টি রকেট উৎক্ষেপণ করেছে। অর্থাৎ প্রতি তিন দিনে একটি করে। এরপর ২০২৫ সালে শুধু কক্ষপথেই উৎক্ষেপণ করা হয়েছে ১৬৫টি রকেট। উপকক্ষপথে গেছে আরও ৫টি। সব মিলিয়ে ১৭০টি।
একেকটি স্যাটেলাইট কয়েক বছর চালু থাকে। এরপর এগুলোকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে ফিরিয়ে আনা হয়। এসময় বাতাসের সঙ্গে ঘর্ষণে পুড়ে ছাই হয়ে যায় যন্ত্রগুলো।
২০২৭ সালে আসবে ওপেনএআইয়ের স্মার্ট স্পিকার
স্যাটেলাইট পুড়ে গেলে অতিক্ষুদ্র অ্যালুমিনিয়াম কণায় পরিণত হয়। ২০২৩ সালে পরিচালিত এক গবেষণায়, বায়ুমণ্ডলের ওপরের স্তরে অ্যালুমিনিয়াম ও অন্য ধাতব কণার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এর কারণ হলো, ওজনে হালকা হওয়ার কারণে স্যাটেলাইট বানাতে প্রচুর অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহার হয়। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এসব কণা বায়ুমণ্ডলের ওপরের স্তরে দীর্ঘ সময় ভেসে থাকতে পারে। এতে ওজোন স্তরের রাসায়নিক স্থিতিশীলতা নষ্ট হতে পারে। তবে বাণিজ্যিক স্যাটেলাইটে আর কী কী উপাদান থাকে, তা এখনও গোপন। তাই, ক্ষতির পরিমান ঠিক কতো হতে পারে, তা নিয়ে আভাস দেয়া কঠিন।
বন্ধ হয়ে যেতে পারে হিউম্যানয়েড রোবট তৈরির শিল্প
একটি স্টারলিঙ্ক ভি২ মিনি স্যাটেলাইট ওজনে প্রায় ৮০০ কেজি। এই হিসাবে, ১০ লাখ স্যাটেলাইট যদি একে একে বায়ুমণ্ডলে পুড়ে ছাই হয়, তবে প্রায় ১০ লাখ টন অ্যালুমিনিয়াম কণা তৈরি করতে পারে। এই বিপুল কণা ওপরের বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বাড়ানো এবং ওজোন স্তর ক্ষয়ের জন্য দায়ী হতে পারে।
তবে সব স্যাটেলাইট বায়ুমণ্ডলে পুরোপুরি পুড়ে যায় না। কিছু ধ্বংসাবশেষ পৃথিবীতেও আছড়ে পড়ে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া













