যুক্তরাষ্ট্রে নতুন মামলা
ফের তদন্তের মুখে পড়তে যাচ্ছে বাইন্যান্স ও এর প্রতিষ্ঠাতা
টেকস্ক্রল
প্রকাশ: ১৫:৪৯, ২৭ নভেম্বর ২০২৫
ফের তদন্তের মুখে পড়তে যাচ্ছে বাইন্যান্স
হামাস-হিজবুল্লাহর অর্থ লেনদেনের অভিযোগ
মার্কিন মুল্লুকে নতুন মামলার মুখে বাইন্যান্স এবং এর প্রতিষ্ঠাতারা। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসীদের সহায়তা করার অভিযোগ। এ তালিকায় বিলিয়োনিয়ার চ্যাংপেং ঝাও রয়েছেন। নর্থ ডেকোটার ফেডারেল কোর্টে এই মামলার অভিযোগে বলা হয়, বাইন্যান্স এবং ঝাও এমন কিছু লেনদেন করেছেন, যার মাধ্যমে তাদের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে হামাস ও হিজবুল্লাহর মতো বিভিন্ন সংগঠন অর্থ পেয়েছে, যারা যুক্তরাষ্ট্রের চোখে সন্ত্রাসী ও নিষিদ্ধ।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিপ্টোকারেন্সি প্ল্যাটফর্ম বাইন্যান্সের বিরুদ্ধে এ মামলা, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলার শিকার মার্কিন নাগরিক বা তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে এসেছে। এর ফলে নতুন করে তদন্তের মুখে পড়তে পারে বাইন্যান্সের কার্যক্রম। সপ্তাহ খানেক আগে ঝাওকে ক্ষমা করেছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
২০২৩ সালে মানি লন্ডারিং বা অবৈধ অর্থ লেনদেন সম্পর্কিত অপরাধে নিজের দোষ স্বীকার করে নিয়েছিলেন ঝাও। তবে ট্রাম্প তাকে ক্ষমা করায় সেই শাস্তি থেকে মুক্তি মেলে তার। তবে নতুন মামলাটি নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি বাইন্যান্স। শুধু বলেছে, ‘আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নিষেধাজ্ঞার বিভিন্ন আইন পুরোপুরি মেনে’ চলে তারা।
কথা রাখেনি বাইন্যান্স
২০২৩ সালে মানি লন্ডারিং ও নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের অভিযোগ মিমাংসার জন্য ৪০০ কোটি ডলারের বেশি জরিমানা দিতেও সম্মত হয়েছিল বাইন্যান্স। ওই মামলা নিষ্পত্তির অংশ হিসাবে বাইন্যান্স বলেছিল, মানি লন্ডারিং ঠেকানো ও নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার বিভিন্ন প্রোগ্রাম উন্নত করবে তারা।
নতুন মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, যেসব অর্থ তাদের প্ল্যাটফর্মে আসছিলো সেগুলো ইচ্ছে করেই নজরে রাখেনি বাইন্যান্স। এতে সন্ত্রাসী ও অপরাধীরা বিনা বাধায় মোটা অংকের অর্থ জমা দিতে ও তা স্থানান্তর করতে পেরেছে।
৭ অক্টোবরের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা বাইন্যান্সের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণও দাবি করেছেন।
সূত্র: বিবিসি
