এআই সেলস অটোমেশন
বৈশ্বিক ব্যবসায় পরিবর্তন আনার আশা দেখছে বাংলাদেশি পাওয়ার ইন এআই
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
প্রকাশ: ১২:৩৩, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ১৫:২৪, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বৈশ্বিক ব্যবসায় পরিবর্তন আনার আশা দেখছে বাংলাদেশি পাওয়ারইনএআই
এআই সেলস অটোমেশন
সমসাময়িক গবেষণায় দেখা গেছে, অনলাইন ব্যবসায় কোনো সম্ভাব্য গ্রাহকের মেসেজের উত্তর যদি এক ঘণ্টার মধ্যে দেওয়া যায়, তবে বিক্রয় বা ফলপ্রসূ আলোচনার সম্ভাবনা ৭ গুণ বেড়ে যায়। আর এই সাড়া যদি ৫ মিনিটের মধ্যে দেওয়া সম্ভব হয়, তাহলে লিডের সঙ্গে কানেকশন ও কনভার্সনের সম্ভাবনা প্রায় ১০০ গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়।
কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন। অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই এখনও ম্যানুয়াল বা আংশিক অটোমেশনভিত্তিক সেলস প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল। অফিস সময়ের বাইরে, টিম মিটিং চলাকালীন কিংবা রাতের বেলায় গ্রাহকের ইনবক্সে আসা গুরুত্বপূর্ণ মেসেজগুলোর জবাব সময়মতো দেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো দ্রুত বেড়ে ওঠা বাজারে, যেখানে একদিকে স্থানীয় গ্রাহক, অন্যদিকে বৈশ্বিক ক্লায়েন্ট—দু’পক্ষের চাহিদা সামাল দিতে হয়, সেখানে এই বিলম্ব সরাসরি ব্যবসায়িক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
এই চ্যালেঞ্জগুলোকে সামনে রেখেই বাংলাদেশি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান পাওয়ারইনএআই নিয়ে এসেছে তাদের এআই সেলস ইনজিন। এটি কেবল একটি সফটওয়্যার নয়; বরং একটি পূর্ণাঙ্গ এআইI-চালিত সেলস এজেন্ট, যা লিড সংগ্রহ থেকে শুরু করে কাস্টমারের সাথে প্রাথমিক কথোপকথন, আগ্রহ বোঝা, ফলো-আপ, এমনকি অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং পর্যন্ত পুরো সেলস সাইকেল স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা করতে পারে।
পাওয়ারইনএআই-এর এই এআই এজেন্টটি মূলত তাদের জন্য, যারা নিয়মিত গ্রাহকের ইনকোয়ারি পান কিন্তু পর্যাপ্ত হিউম্যান রিসোর্স বা সময়ের অভাবে প্রতিটি লিডকে সমান গুরুত্ব দিতে পারেন না। ছোট ও মাঝারি ব্যবসা, রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান, ই-কমার্স, ট্রেনিং ইনস্টিটিউট থেকে শুরু করে বড় কর্পোরেট সেলস টিম, সব ক্ষেত্রেই এই এআই এজেন্ট কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম।
এই এআই সিস্টেমের বিশেষত্ব হলো, এটি কেবল নির্ধারিত স্ক্রিপ্ট অনুসরণ করে না। বরং গ্রাহকের কথোপকথন, প্রশ্নের ধরন, আগ্রহের বিষয় এবং প্রতিক্রিয়ার গতি বিশ্লেষণ করে ধীরে ধীরে তার রুচি, পছন্দ ও প্রয়োজন বুঝে নেয়। সেই অনুযায়ী উত্তর দেয়, সঠিক তথ্য তুলে ধরে এবং প্রয়োজনে কনভারসেশনটি হিউম্যান সেলস টিমের কাছে হস্তান্তর করে। ফলে কাস্টমারের কাছে পুরো অভিজ্ঞতাটি স্বাভাবিক ও পারসোনালাইজড মনে হয়।
বাংলাদেশে ও গ্লোবাল ব্যবসায়িক বাস্তবতা মাথায় রেখেই পাওয়ারএআই তাদের সিস্টেম ডিজাইন করেছে। স্থানীয় ভাষা, কাস্টমারের আচরণ, বাজেট এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ধরণ, এসব বিষয়ে তারা বৈশ্বিক জেনেরিক এআই টুল বা ফ্রি এজেন্টের চেয়ে অনেক বেশি প্রাসঙ্গিক সমাধান দিতে পারে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে মধ্যপ্রাচ্য ও যুক্তরাজ্যের মতো বাজারেও সফলভাবে সেবা দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
পাওয়ারইনএআই-এর লক্ষ্য সম্পর্কে প্রতিষ্ঠানটির সিইও আবদুল ওয়াহেদ তমাল বলেন, পাওয়ারইনএআই এমন একটি সার্বক্ষণিক সেলস ডেভেলপমেন্ট টিম, যাদের কোনো ক্লান্তি নেই, যারা কখনো ঘুমায় না এবং প্রতিটি সম্ভাব্য লিড বা কাস্টমারকে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই রেসপন্স করতে সক্ষম।
আসছে ভার্চুয়াল মোবাইল সেবা এমভিএনও
বিক্রয় ব্যবস্থাপনার জটিলতা কমাতে এবং ব্যবসার গতি বাড়াতে পাওয়ারইনএআই মূলত পাঁচটি সক্ষমতার ওপর জোর দেয় , স্বয়ংক্রিয় ডেটা সংগ্রহ ও যাচাইকরণ, তাৎক্ষণিক আউটরিচ, মাল্টি-চ্যানেল কাস্টমার এনগেজমেন্ট, এআই-চালিত ভয়েস কলিং এবং ইন্টেলিজেন্ট লিড স্কোরিং। এর ফলে সেলস টিম কেবলমাত্র সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রস্তুত লিডগুলোর ওপর মনোযোগ দিতে পারে।
পাওয়ারইনএআই-এর সেবা নিতে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলো কোম্পানির ওয়েবসাইট powerinai.com থেকেই সহজে একটি ফ্রি ডেমো বুক করতে পারবেন। এই ডেমোতে পুরো ওয়ার্কফ্লো শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দেখানো হয়, কীভাবে সিস্টেম লিড ক্যাপচার করে, একাধিক চ্যানেলে দ্রুত রেসপন্স দেয়, কথোপকথনের ভিত্তিতে গ্রাহকের আগ্রহ ও প্রয়োজন যাচাই করে এবং শেষ পর্যন্ত অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং বা প্রয়োজন অনুযায়ী সেলস টিমের কাছে হ্যান্ডঅফ করে। নির্দিষ্ট অপারেশনাল চাহিদা থাকলে পাওয়ারএআই কাস্টমাইজড সলিউশনও প্রদান করে, পাশাপাশি ব্যবসার আকার ও সেলস প্রসেস অনুযায়ী উপযুক্ত প্যাকেজ বেছে নিতে ওয়েবসাইটে বিভিন্ন প্রাইসিং অপশন দেখা যাবে। এছাড়াও ওয়েবসাইটের বিল্ট-ইন লাইভ আইএ কলিং অপশন ব্যবহার করে ভিজিটররা তাৎক্ষণিকভাবে একটি আইএ এজেন্টের সঙ্গে কথা বলে প্ল্যাটফর্মটি বাস্তবে কীভাবে কাজ করে তা সরাসরি জানতে পারবেন।
এআইয়ের কারণে যেসব চাকরিক্ষেত্র খুব শিগগির বন্ধ হচ্ছে-স্যাম অল্টম্যান













