সোমবার, ০৫ জানুয়ারি ২০২৬

| ২১ পৌষ ১৪৩২

যুক্তরাষ্ট্রে বিপাকে কোম্পানিগুলো

স্থানীয় মানুষের তীব্র বাধার মুখে এআই ডাটা সেন্টার প্রকল্প

টেক স্ক্রল

প্রকাশ: ১৩:৩৯, ৪ জানুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ১৪:৫২, ৪ জানুয়ারি ২০২৬

স্থানীয় মানুষের তীব্র বাধার মুখে এআই ডাটা সেন্টার প্রকল্প

বিপুল বিদ্যুৎ ও পানি ব্যবহার করে এআই ডাটা সেন্টার

যুক্তরাষ্ট্রে বিপাকে কোম্পানিগুলো

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের চাহিদা মেটাতে প্রয়োজন বিপুল ডাটা সেন্টার। এই চাহিদা মেটাতে বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো নেমেছে তীব্র প্রতিযোগিতায়। খরচ করছে কয়েক বিলিয়ন ডলার। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে এই বিনিয়োগ এতোই বেশি যে একে এআই বাবল হিসেবেও দেখা শুরু করেছেন প্রযুক্তি ও শেয়ারবাজার বিশ্লেষকরা। উচ্চাভিলাষী এসব উদ্যোগ এখন সাধারণ মানুষের তীব্র বাধার মুখে পড়ছে। মানুষ এখন ঘরবাড়ির পাশে বিশাল যান্ত্রিক স্থাপনা মেনে নিতে চাইছে না।

আগে যুক্তরাষ্ট্রের ডাটা সেন্টারগুলো নির্দিষ্ট কিছু জোনে ছিল। কিন্তু দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য সবাই এখন লোকালয়ে এসব কেন্দ্র বানাতে চায়। এতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় বিঘ্ন ঘটার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

 কাজ সহজের বদলে উল্টো সময় অপচয় হচ্ছে এআই টুল ব্যবহারে

বিশালাকার ডাটা সেন্টার কোন এলাকায় স্থাপন করা যাবে, তা নিয়ে বিভ্রান্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় প্রশাসন। এসব স্থাপনায় বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ ও পানি ব্যবহার হয়। এই বিষয়টি দেশটির বর্তমান অবকাঠামো বা আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা, তা নিয়েও চলছে বিশ্লেষণ।

অনেক এলাকায় ডাটা সেন্টার স্থাপনের প্রস্তাব স্থানীয়দের বাধার মুখে পড়ছে। চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ওপর। এমনটি স্থানীয় মানুষের সমর্থন না থাকায় অনেক প্রস্তাব বাতিলও হয়েছে। এমন ঘটনাও দেখা গেছে যে ডাটা সেন্টার বসানোর প্রস্তাবনার বিরুদ্ধে জনমত গঠন করতে, বাড়ি বাড়ি গেছেন প্রতিবাদকারীরা, প্রচারণার জন্য বিতরণ করেছেন টি-শার্ট এবং সাইনবোর্ডও লাগিয়েছেন অনেকে। ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ১১টি রাজ্যে ২০টি প্রস্তাব শনাক্ত করা হয়েছে যেখানে স্থানীয় প্রতিরোধ ও রাজ্য পর্যায়ের বিরোধের কারণে ডাটা সেন্টার স্থাপনে দেরি হয়েছে।

  প্রাপ্তবয়স্ক প্রেমিকা-প্রেমিকের মতো আচরণ করবে চ্যাটজিপিটি

সূত্র: সিএনবিসি

এ সম্পর্কিত খবর
আরও পড়ুন