আইসিটি প্রয়োগ ও ব্যবহারকারী জরিপ
দেশে বেড়েছে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারকারী
টেকস্ক্রল নেটওয়ার্ক
প্রকাশ: ২২:৩৮, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ২২:৫৭, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশে বেড়েছে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারকারী
দেশে বেড়েছে কম্পিউটার ব্যবহারকারী। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের চতুর্থ প্রান্তিকের তুলনায় ২০২৫-২৬ অর্থাৎ গেল অর্থবছরের চতুর্থ প্রান্তিকে বেড়েছে কম্পিউটার ব্যবহারকারী। একই সাথে বেড়েছে মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারকারীও।
শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রকাশিত সর্বশেষ আইসিটি প্রয়োগ ও ব্যবহারকারী জরিপ ২০২৫-২৬ চতুর্থ প্রান্তিক প্রতিবেদনে উঠে আসে এসব তথ্য।
দেশে বর্তমানে খানা রয়েছে ৪ কোটি ১০ লাখ ১০ হাজার ৫১টি। আর দেশের জনসংখ্যা ১৭ কোটির বেশি। আইসিটি প্রয়োগ ও ব্যবহারকারী জরিপ ২০২৫-২৬ চতুর্থ প্রান্তিক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের চতুর্থ প্রান্তিক এপ্রিল থেকে জুন মাসে কম্পিউটার ব্যবহারকারী ছিল ১১ দশমিক ৬ শতাংশ। তবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের চতুর্থ প্রান্তিক এপ্রিল থেকে জুন মাসে কম্পিউটার ব্যবহারকারী বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ৮ শতাংশে।
তবে খানা পর্যায়ে কমেছে কম্পিউটার ব্যবহারকারী। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের চতুর্থ প্রান্তিকে ৯ দশমিক ২ শতাংশ পরিবার কম্পিউটার ব্যবহার করতেন। তবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের চতুর্থ প্রান্তিকে কম্পিউটার ব্যবহার করছে ৯ দশমিক ১ শতাংশ পরিবার।
প্রতিবেদন আরো বলা হয়, দেশে বেড়েছে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের চতুর্থ প্রান্তিকে ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন ৫৯ দশমিক ২ শতাংশ মানুষ। আর ২০২৪-২৫ অর্থবছরের চতুর্থ প্রান্তিকে ইন্টারনেট ব্যবহার করতেন ৫৫ শতাংশ মানুষ।
এদিকে খানা পর্যায়ে কমেছে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের চতুর্থ প্রান্তিকে ৫৯ দশমিক ৭ শতাংশ পরিবার ইন্টারনেট ব্যবহার করলেও ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময় ৫৮ দশমিক ২ শতাংশ পরিবার ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন।
প্রতিবেদন বলা হয়, ব্যক্তি পর্যায়ে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী বাড়লেও অপরিবর্তীত রয়েছে খানা পর্যায়ে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর হার। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের চতুর্থ প্রান্তিকে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতেন ৮৮ দশমিক ২ শতাংশ মানুষ। আর ২০২৫-২৬ অর্থবছরের চতুর্থ প্রান্তিকে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী ৮৯ দশমিক ৬।
তবে দুই অর্থবছরের চতুর্থ প্রান্তিকে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী পরিবারের হার একই। দেশে মোবাইল ফোন ব্যবহার করছে ৯৯ শতাংশ পরিবার।
জরিপের ক্ষেত্রে সারাদেশের ২ হাজার ৫৬৮টি নির্বাচিত এলাকায় দৈবচয়নের ভিত্তিতে ২৪টি করে সর্বমোট ৬১ হাজার ৬৩২টি খানায় ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। ৬৪ জেলায় ২১৪ জন প্রশিক্ষিত সংগ্রহকারীর মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয় বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়।








