১১ মাসে ১৩ হাজার অভিযোগ
কমানো হচ্ছে ভয়েস কলের ফ্লোর প্রাইস
টেকস্ক্রল নেটওয়ার্ক
প্রকাশ: ১৫:৫৪, ১৯ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ০০:০৫, ২০ আগস্ট ২০২৬
কমানো হচ্ছে ভয়েস কলের ফ্লোর প্রাইস
গ্রাহকদের স্বার্থ বিবেচনায় ভয়েস কলের সর্বনিম্ন সীমা বা ফ্লোর প্রাইস কমাতে যাচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক কমিশন (বিটিআরসি)। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে কাজ চলছে বলে জানান কমিশনের সিস্টেমস অ্যান্ড সার্ভিসেস বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহজাদ পারভেজ মহিউদ্দিন। বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে অনলাইনে অনুষ্ঠিত বিটিআরসির গণশুনানি অনুষ্ঠানে একথা জানান তিনি।
গণশুনানি অনুষ্ঠানে জামালপুরের এক গ্রাহকের প্রশ্নের প্রেক্ষিতে বিটিআরসির সিস্টেমস অ্যান্ড সার্ভিসেস বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহজাদ পারভেজ মহিউদ্দিন জানান, বর্তমানে মোবাইলে কথা বলার সর্বনিম্ন সীমা বা ফ্লোর প্রাইস প্রতি মিনিট ৪৫ পয়সা এবং সর্বোচ্চ ২ টাকা নির্ধারিত রয়েছে। তবে এটি আরো কমাতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে কাজ চলমান রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, গেল বছরের জুলাই থেকে চলতি বছরের জুন এই ১১ মাসে সেবার মানসহ বিভিন্ন বিষয়ে ১৩ হাজার ৯টি অভিযোগ জমা পড়েছে। এর মধ্যে হল্পে লাইনের মাধ্যমে ৫ হাজার ৫১টি এবং ওয়েববক্সের মাধ্যমে জমা পড়েছে ৭ হাজার ৯৫৮টি অভিযোগ।
এসময় নিষ্পত্তি করা হয়েছে ৮৬.৭০ শতাংশ অর্থাৎ ১১ হাজার ২৭৯টি অভিযোগ। তবে অভিযোগ নিষ্পত্তির বর্তমান হার নিয়ে সন্তুষ্ট নয় কমিশন। দ্রুত ও কার্যকরভাবে গ্রাহকদের শতভাগ অভিযোগ নিষ্পত্তি প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে কাজ চলছে বলেও জানান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহজাদ পারভেজ মহিউদ্দিন।
গণশুনানি অনুষ্ঠানে টেলিটকের ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অপারেশন্স বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শফিউল আলম পারভেজ বলেন, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মোবাইল অপারেটর টেলিটক বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে দেশব্যাপী নেটওয়ার্ক রোলআউটের বাধ্যবাধকতা অর্জন করেছে।
হাওর-বাঁওড়সহ দেশের প্রত্যন্ত ও দুর্গম অঞ্চলে বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে টেলিটকের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে, এবারের গণশুনানিতে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ ছিল ট্যারিফ, ডেটার মেয়াদ, ডেটা ক্যারি ফরওয়ার্ড, নেটওয়ার্ক কাভারেজ, সিম নিবন্ধন, মোবাইল ফোন রেজিস্ট্রেশন, লাইসেন্স ও সেবার মান সংক্রান্ত বিষয়ে।
গণশুনানি উপলক্ষ্যে গত ১৭ থেকে ২৭ জুলাই পর্যন্ত অনলাইনে জমা হয় ২ হাজার ৯৯০টি নিবন্ধন। এর মধ্যে রয়েছে কমিশনের সিস্টেম এন্ড সার্ভিসেস বিভাগ সর্ম্পকিত প্রশ্ন ১০৪৫টি, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড অপারেশন্স সর্ম্পকিত অভিযোগ ৮৪৪টি, স্পেকট্রাম বিভাগ সংশ্লিষ্ট ৬৩টি, লিগ্যাল এন্ড লাইসেন্সিং বিভাগ সর্ম্পকিত ১৯টি এবং এনফোর্সমেন্ট এন্ড ইন্সপেকশন সর্ম্পকিত ৫টি অভিযোগ।
গণশুনানি অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন কমিশনের প্রশাসন বিভাগের মহাপরিচালক মোঃ মেহেদী উল সহিদ, স্পেকট্রার্ম বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ আমিনুল হক, লিগ্যাল অ্যান্ড লাইসেন্সিং বিভাগের মহাপরিচালক আশীষ কুমার কুন্ডুসহ বিটিআরসির ঊধ্বর্তন কর্মকর্তাগণ।













