শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

| ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ঋণের বাইরে ৭৭% ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা

ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ করতে হবে ডিজিটাল ঋণ

টেকস্ক্রল নেটওয়ার্ক

প্রকাশ: ১৮:১১, ৩ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১৮:১৭, ৩ আগস্ট ২০২৬

ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ করতে হবে ডিজিটাল ঋণ

ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ করতে হবে ডিজিটাল ঋণ

দেশের প্রায় ১ কোটি ১৭ লাখ কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি বা সিএমএসএমই উদ্যোক্তাদের মধ্যে ব্যাংক ঋণ পেয়েছেন ২৩ শতাংশ। আর এখনো ঋণের বাইরে রয়েছেন প্রায় ৭৭ শতাংশ সিএমএসএমই উদ্যোক্তা। পরিস্থিতি পরিবর্তনে ডিজিটাল ঋণ প্রক্রিয়া সহজ করা প্রয়োজন। সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে এসএমই ফাউন্ডেশন ও এশিয়া ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে 'ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম এবং ডিজিটাল ঋণ প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে এসএমই ঋণ সহজীকরণ' শীর্ষক সেমিনারে উঠে আসে এসব তথ্য।

সেমিনারে জানানো হয়, জামানতের অভাব, পর্যাপ্ত ক্রেডিট না থাকা, প্রাতিষ্ঠানিক নথিপত্রের সীমাবদ্ধতা এবং প্রচলিত ব্যাংকিং প্রক্রিয়ার জটিলতার কারণে নারী উদ্যোক্তা ও নতুন উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি অনেক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারাই বঞ্চিত হচ্ছেন। এ প্রেক্ষিতে এসএমই ফাউন্ডেশন ও এশিয়া ফাউন্ডেশন যৌথভাবে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এর মাধ্যমে এআইভিত্তিক বিকল্প ক্রেডিট স্কোরিংয়ের সম্ভাবনা যাচাই, প্রযুক্তিনির্ভর অর্থায়ন ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ঋণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এতে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ফিনটেক প্রতিষ্ঠান ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণে তথ্যের ঘাটতি কমানো, অর্থায়নের প্রস্তুতি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং ঋণ মূল্যায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে পারস্পরিক ধারণা তৈরির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করতে প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন, ডিজিটাল ব্যবসা পরিচালনা, উদ্ভাবনী আর্থিক সেবা এবং দক্ষ জনবল গড়ে তোলা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. কবির আহমেদ, এসএমই ফাউন্ডেশনের পরিচালক পর্ষদ সদস্য খালিদ মাহমুদ খান, এশিয়া ফাউন্ডেশনের বিএসইএ প্রোগ্রামের টিম লিডার সারা এল. টেইলরসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

বর্তমানে দেশের অর্থনীতিতে এসএমই খাতের অবদান প্রায় ৩০% শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরা’র ২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের মোট শিল্প প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৯৯ শতাংশই কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প। আর শিল্প খাতের মোট কর্মসংস্থানের প্রায় ৮৫ শতাংশ সিএমএসএমই খাতের মাধ্যমে সৃষ্টি। এই খাতে কর্মসংস্থান হয়েছে ৩ কোটির বেশি মানুষের ।

 

এ সম্পর্কিত খবর
আরও পড়ুন