শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬

| ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার চুক্তি

সাইবার মানবপাচার রোধে নতুন প্রকল্প

টেকস্ক্রল নেটওয়ার্ক

প্রকাশ: ২২:০৯, ১৬ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ২২:১২, ১৬ আগস্ট ২০২৬

সাইবার মানবপাচার রোধে নতুন প্রকল্প

সাইবার মানবপাচার রোধে নতুন প্রকল্প

দেশে প্রযুক্তির মাধ্যমে সংঘটিত মানবপাচার রোধে সক্ষমতা বাড়াতে একটি প্রকল্প নিয়েছে সরকার। ২৪ মাসের প্রকল্পে বাংলাদেশের সাথে কাজ করবে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা। রোববার (১৬ আগস্ট) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা এ বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। আইওএম উন্নয়ন তহবিলের অর্থায়নে আইওএম বাংলাদেশ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অংশীদারত্বে বাস্তবায়িত হবে প্রকল্পটি। ।

জানা যায়, দেশে সাইবার প্রযুক্তি ব্যবহার করে সংঘটিত মানবপাচার রোধে দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগকে সহায়তা করাই প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য। প্রকল্পের গবেষণা তথ্য ও প্রশিক্ষণ উপকরণ ভবিষ্যতে নীতি ও কর্মসূচি প্রণয়নে অবদান রাখবে।

চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং আইওএম বাংলাদেশের চীফ অব মিশন ড. লরা টম বন্দ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, চাকরির পোর্টালসহ বিভিন্ন ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে পাচারকারীরা মানুষকে শনাক্ত, প্রলুব্ধ, নিয়ন্ত্রণ ও শোষণ করছে। এ ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ মোকাবিলায় এ প্রকল্পের মাধ্যমে তথ্য-প্রমাণ ও জ্ঞানভিত্তি শক্তিশালী করা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি ও কমিউনিটিতে ডিজিটাল সচেতনতা ও দক্ষতা উন্নয়ন এই তিনটি ক্ষেত্রে কাজ করা হবে।

আইওএম বাংলাদেশের চীফ অব মিশন ড. লরা টম বন্দ বলেন, প্রযুক্তি মানুষের যোগাযোগ, কর্মসংস্থান ও সুযোগ সন্ধানের পদ্ধতিতে পরিবর্তন এনেছে। তবে এটি মানবপাচারকারীদের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে শোষণের ক্ষেত্রেও অপব্যবহারের আশঙ্কা রয়েছে।

প্রযুক্তি শোষণের হাতিয়ার না হয়ে সমাধানের অংশ হয়ে ওঠে, তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ, দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে এই প্রকল্প সহায়তা করবে বলেও জানান তিনি।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী বলেন, মানবপাচার মোকাবিলায় প্রযুক্তিকে কার্যকরভাবে ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের চলমান উদ্যোগকে সহায়তা করবে এই প্রকল্প।

তিনি আরো বলেন, প্রকল্পটির সামগ্রিক লক্ষ্য প্রযুক্তিনির্ভর মানবপাচারের ঝুঁকি প্রতিরোধ, মোকাবিলা ও প্রশমনে সরকার সংশ্লিষ্ট অংশীজন এবং জনগোষ্ঠীকে তথ্যভিত্তিক ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে সক্ষম করে তোলা।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও ইউএন উইং প্রধান এ. কে. এম. সোহেলসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইওএম এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা।

 

 

এ সম্পর্কিত খবর
আরও পড়ুন