বাড়ছে গেমের চাহিদা
চলতি বছর দেশের বাজারে নতুন ৪ গেম
গাজী তানজীর আহমেদ
প্রকাশ: ১৩:১১, ২৪ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১৫:২৯, ২৪ জুলাই ২০২৬
চলতি বছর দেশের বাজারে নতুন ৪ গেম
ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ বাড়ায় বড় পরিবর্তন এসেছে দেশের গেমের বাজারে। বাড়ছে দেশি বিদেশি গেমের চাহিদা। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে চারটি আলোচিত গেম এসেছে দেশের বাজারে। গেমগুলোতে উন্নত দৃশ্য, আকর্ষণীয় গল্প, উন্মুক্ত জগৎ এবং একসঙ্গে একাধিক খেলোয়াড়ের অংশ নেওয়ার সুযোগে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রেসিডেন্ট ইভিল রিকুইয়েম, ড্রাগন কোয়েস্ট সেভেন রিইমাজিনড, মারিও টেনিস ফিভার ও ফোরজা হরাইজন ৬ গেমগুলো দেশের বাজারে গেমারদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করেছে।
রেসিডেন্ট ইভিল রিকুইয়েম (Resident Evil Requiem )
২০২৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয় বছরের অন্যতম আলোচিত গেম রেসিডেন্ট ইভিল রিকুইয়েম। এবারের গল্পে গ্রেস অ্যাশক্রফট ও পরিচিত চরিত্র লিওন এস. কেনেডিকে ঘিরে রহস্য, ভয় এবং অ্যাকশনের মিশ্র অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে। গেমটির বড় আকর্ষণ বাস্তবধর্মী দৃশ্য ও ভয়ংকর পরিবেশ। বাজারেও দারুণ সাড়া ফেলেছে গেমটি।
ড্রাগন কোয়েস্ট সেভেন রিইমাজিনড (Dragon Quest VII Reimagined )
২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয় ড্রাগন কোয়েস্ট সেভেন রিইমাজিনড। জনপ্রিয় পুরোনো গেমটিকে নতুন প্রজন্মের জন্য নতুন দৃশ্য, সহজ গল্প ও উন্নত লড়াই ব্যবস্থার মাধ্যমে সাজানো হয়েছে। গেমটির অন্যতম আকর্ষণ ভ্রমণের মাধ্যমে অতীত ও বর্তমানের মধ্যে হারিয়ে যাওয়া। যারা গল্প, অভিযান ও কল্পনার জগতে দীর্ঘ সময় কাটাতে পছন্দ করেন, তাদের জন্য গেমটি আকর্ষণীয় হতে পারে।
মারিও টেনিস ফিভার (Mario Tennis Fever )
২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি নিনটেনডো সুইচ ২-এর জন্য প্রকাশিত হয় মারিও টেনিস ফিভার। সাধারণ টেনিসের সঙ্গে মারিওর পরিচিত মজার জগৎ ও বিশেষ ক্ষমতার ব্যবহার গেমটিকে অন্য টেনিস গেম থেকে আলাদা করেছে। গেমটিতে ৩৮টি খেলার উপযোগী চরিত্র রয়েছে, যা মারিও টেনিস সিরিজের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি।
ফোরজা হরাইজন ৬ ( Forza Horizon 6 )
২০২৬ সালের ১৯ মে প্রকাশিত হয় ফোরজা হরাইজন ৬। এবারের গেমটির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ জাপানের পটভূমি। গেমটিতে টোকিওর ব্যস্ত শহর থেকে পাহাড়ি সড়ক ও গ্রামীণ এলাকার বিভিন্ন পরিবেশে গাড়ি চালানোর অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়। সিরিজটিতে শত শত গাড়ি সংগ্রহ করে নিজের মতো সাজানো এবং বিভিন্ন ধরনের রেসে অংশ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। একা খেলার পাশাপাশি বন্ধুদের সঙ্গে অনলাইনেও প্রতিযোগিতা করা যায়।
বিক্রেতারা জানান, দেশে উন্নত মানের গেমিং কম্পিউটার, প্লেস্টেশন ও এক্সবক্স ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। আর ক্রেতারা বলছেন,দেশের বাজারে উন্নত মানের গেমিং কম্পিউটার ও গেমিং ডিভাইসগুলো ব্যয়বহুল।
এদিকে, বাংলাদেশে বিদেশি গেমের জনপ্রিয়তা বেশি হলেও দেশীয় গেম নির্মাতারাও নিজেদের অবস্থান তৈরিতে ব্যস্ত। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস থেকে শুরু করে কৌশলনির্ভর শুটিং ও স্থানীয় সংস্কৃতির বিভিন্ন বিষয় এখন দেশীয় গেমে জায়গা পাচ্ছে। কোরবানি রান, জিরো আওয়ার, হিরোজ অব ৭১ দেশের তৈরি এসব গেম আন্তর্জাতিক বাজারেও পরিচিতি পেয়েছে।













