এআই শিল্পেও বিনিয়োগ
দেশের সেমিকন্ডাক্টর খাতে এক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ যুক্তরাষ্ট্রের
টেকস্ক্রল নেটওয়ার্ক
প্রকাশ: ১৪:১০, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) শিল্পে এক বিলিয়ন বা শত কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতের সম্ভাবনা, দক্ষ জনশক্তি এবং আন্তর্জাতিক কৌশলগত অংশীদারত্বের সুযোগ কাজে লাগিয়ে এ বিনিয়োগ বাস্তবায়ন করা হবে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সিলিকন ভ্যালির এক হোটেলে টেকনোলজি ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড স্ট্রেটেজিক পার্টনারশিপস ফর বাংলাদেশ গ্রোথ আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।
ববি হাজ্জাজ বলেন, বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে এআই ও সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোর আগ্রহ বাংলাদেশের জন্য নতুন অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। এ সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে প্রযুক্তি স্থানান্তর, দক্ষ জনশক্তি তৈরি, গবেষণা ও উদ্ভাবন এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বৈশ্বিক প্রযুক্তি খাতের দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশকে দক্ষ মানবসম্পদ, আধুনিক প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সমন্বয়ে এগিয়ে যেতে হবে। এআই ও ডেটা অবকাঠামো, সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তি এবং উচ্চপ্রযুক্তিনির্ভর শিল্পে বিনিয়োগ দেশের অর্থনৈতিক বহুমুখীকরণ ও ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের নতুন ক্ষেত্র তৈরি করতে পারে।
গোলটেবিল আলোচনায় এআই ও ডেটা অবকাঠামো উন্নয়ন, সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি স্থানান্তর, দক্ষ জনশক্তি উন্নয়ন, গবেষণা, উদ্ভাবন, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং কৌশলগত অংশীদারত্বের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় হয়।
বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়াতে আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোর সঙ্গে বাস্তবায়নযোগ্য সহযোগিতার ক্ষেত্র চিহ্নিত করার বিষয়টিও আলোচনায় গুরুত্ব পায়।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।
আলোচনাটি সঞ্চালনা করেন কারম্যাক্সের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও চিফ ইনফরমেশন অ্যান্ড টেকনোলজি অফিসার শামীম মোহাম্মদ। এতে মার্কিন প্রযুক্তি খাতের জ্যেষ্ঠ নির্বাহীরা অংশ নেন।













