শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

| ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

লোকসান কমানোর পরিকল্পনা

আধুনিক ও লাভজনক করা হবে নগদকে - তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী

টেকস্ক্রল নেটওয়ার্ক

প্রকাশ: ১৪:৩৭, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ১৬:৫৬, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

আধুনিক ও লাভজনক করা হবে নগদকে - তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী

আধুনিক ও লাভজনক করা হবে নগদকে

ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) নগদকে আরো আধুনিক ও লাভজনক করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলে জানান ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ডাক ভবনে বিশ্ব ডাক দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্তকরণ ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। 

ফকির মাহবুব আনাম বলেন, নগদ সম্প্রতি সরকারকে ১৮ কোটি টাকা রাজস্ব দিয়েছে। তাই নগদ বিক্রির কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। বরং প্রতিষ্ঠানটিকে আরও আধুনিক ও লাভজনক করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মন্ত্রী বলেন, একই সঙ্গে আগামী ছয় মাসের মধ্যে ডাক বিভাগের লোকসান কমিয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে লাভজনক অবস্থানে নেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। ডাক বিভাগের মাধ্যমে পার্সেল পরিবহনের পরিমাণ বাড়ছে। এ খাতে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহও তৈরি হয়েছে। 

চীন থেকে প্রতিদিন দেড় লাখ পার্সেল পাঠানোর প্রস্তাব এসেছে। এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে ডাক বিভাগের সেবার পরিধি ও আয় বাড়ানোর ওপর দেয়া হচ্ছে।

ডাক বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজের স্বীকৃতি দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ফকির মাহবুব আনাম বলেন, ভালো কাজের জন্য পুরস্কার ও স্বীকৃতির ব্যবস্থা চালু রাখা প্রয়োজন। এতে কর্মীরা উৎসাহিত হবেন এবং অন্যরাও ভালো কাজ করতে অনুপ্রাণিত হবেন। গ্রাম ও উপজেলা পর্যায়সহ ডাক বিভাগের সব স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজের প্রতিও নজর দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আরিফ আসাদ এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমি বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম।

চলতি বছর ওয়ান পোস্টাল নেটওয়ার্ক ইনফিনিট পজিবিলিটিস (One Postal Network, Infinite Possibilities) বা ‘সমন্বিত ডাক নেটওয়ার্ক, সীমাহীন সম্ভাবনা’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ৯ অক্টোবর বিশ্ব ডাক দিবস উদযাপন করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় ৯ থেকে ১৫ অক্টোবর দেশব্যাপী ডাকসেবা সপ্তাহ পালিত হচ্ছে।

ডাকসেবা সপ্তাহের অংশ হিসেবে দেশের ২৫টি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতসহ মোট ২৬টি স্থানে চিঠি উৎসব, ডাকটিকিট প্রদর্শনী ও ডাকসেবা মেলার আয়োজন করা হয়। এসব চিঠি উৎসবে প্রায় ৮ হাজার ৬৪৬টি চিঠি ইস্যু করা হয়।

এ ছাড়া রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, ৫৫তম আন্তর্জাতিক পেনপাল প্রতিযোগিতা এবং পোস্টাল ব্যালট, স্পিড পোস্ট ও ডাকসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নগদের প্রতিনিধিদের সম্মাননা দেওয়া হয়।
 

এ সম্পর্কিত খবর
আরও পড়ুন