শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

| ২ আশ্বিন ১৪৩৩

দক্ষতা উন্নয়নে এআই প্রশিক্ষণ

৬৪ জেলায় এআই প্রশিক্ষণ পাচ্ছেন ১১ হাজারের বেশি তরুণ

টেকস্ক্রল নেটওয়ার্ক

প্রকাশ: ১৪:৪৩, ২ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১৬:৪৪, ২ আগস্ট ২০২৬

৬৪ জেলায় এআই প্রশিক্ষণ পাচ্ছেন ১১ হাজারের বেশি তরুণ

৬৪ জেলায় এআই প্রশিক্ষণ পাচ্ছেন ১১ হাজারের বেশি তরুণ

দেশের যুবসমাজকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিতে দক্ষ করে গড়ে তুলতে এআই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু করেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন’ শীর্ষক এ প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিকভাবে দেশের ৬৪ জেলায় মোট ১১ হাজার ২০০ জনকে দেয়া হবে প্রশিক্ষণ। এর মধ্যে ৯ হাজার ৬০০ জন প্রাথমিক (বেসিক) এবং ১ হাজার ৬০০ জন উন্নততর (অ্যাডভান্স) এআই প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবেন। রোববার (২ আগস্ট) বগুড়ার মম ইন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।

উদ্বোধনী বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে যুবসমাজকে প্রযুক্তিনির্ভর কর্মক্ষেত্রের জন্য প্রস্তুত করতে সরকার কাজ করছে। এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। তিনি বগুড়াসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্তর্জাতিক মানের ১০টি স্পোর্টস ভিলেজ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন। 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। মীর শাহে আলম বলেন, প্রযুক্তিভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়নে সরকারের এ উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে সহায়ক হবে। তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের অর্জিত দক্ষতা কাজে লাগিয়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব-উল-আলম।  তিনি বলেন, প্রকল্পটির লক্ষ্য তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন যুবকদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিতে দক্ষ করে তোলা। এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান, আত্মকর্মসংস্থান, উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে দেশের ৬৪ জেলা থেকে ২৫ জন করে মোট এক হাজার ৬০০ প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচন করা হয়েছে। মোট ৪৪৮টি ব্যাচে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে, যেখানে প্রতি ব্যাচে ২৫ জন অংশগ্রহণ করবেন। প্রতিটি কোর্সের মেয়াদ দুই মাস। এ সময়ে ৫০টি ক্লাসের মাধ্যমে মোট ৩০০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বগুড়া জেলার সংসদ সদস্যরা, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা পরিষদের প্রশাসক, প্রকল্প পরিচালক এবং প্রশিক্ষণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। এছাড়া দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রায় দুই হাজার প্রশিক্ষণার্থী, প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, প্রশিক্ষক ও সমন্বয়কারীরা ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের চলমান ফ্রিল্যান্সিং প্রকল্পের আওতায় বিভাগীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ আয়কারী আটজন ফ্রিল্যান্সারের হাতে ল্যাপটপ তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলার ২৪ জন ফ্রিল্যান্সারকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

এ সম্পর্কিত খবর
আরও পড়ুন