শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬

| ২১ কার্তিক ১৪৩৩

ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬

উদ্ভাবনকে বাজারে প্রবেশ নিশ্চিতে সরকারের উদ্যোগ

টেকস্ক্রল নেটওয়ার্ক

প্রকাশ: ২১:৫৫, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ২১:৫৬, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

উদ্ভাবনকে বাজারে প্রবেশ নিশ্চিতে সরকারের উদ্যোগ

উদ্ভাবনকে বাজারে প্রবেশ নিশ্চিতে সরকারের উদ্যোগ

উদ্ভাবকদের অর্থায়ন করার পাশাপাশি বাজারে প্রবেশ করার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে বলে জানান ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। 

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, শুধু উদ্ভাবন সৃষ্টিই যথেষ্ট  নয়। উদ্ভাবকদের অর্থায়ন, নীতিগত সহায়তা, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারিত্ব, মেধাস্বত্বের সুরক্ষা এবং সর্বোপরি বাজারে প্রবেশের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আগামী ১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর ঢাকার নভোথিয়েটারে তিন দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হবে। মেলাটি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।  

এবারের মেলার প্রতিপাদ্য ইনোভেট টু মার্কেট (Innovate to Market)উল্লেখ করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মেধা, সৃজনশীলতা ও সম্ভাবনাময় ধারণার কোনো ঘাটতি নেই। শিক্ষার্থী, গবেষক, স্টার্টআপ, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পপ্রতিষ্ঠান নিজ নিজ ক্ষেত্রে নতুন নতুন সমাধান তৈরি করছে। তবে এসব উদ্যোগকে একটি কার্যকর ও সমন্বিত উদ্ভাবনী ইকোসিস্টেমের মাধ্যমে বিনিয়োগ, শিল্প ও বাজারের সঙ্গে যুক্ত করাই এখন অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ।

মন্ত্রী বলেন, এই সংযোগ তৈরির লক্ষ্যেই আয়োজন করা হচ্ছে বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬। মেলায় ব্যক্তিগত উদ্ভাবক ও স্টার্টআপ ফাউন্ডারসহ ১০০ জনেরও বেশি উদ্ভাবক এক হাজারেরও বেশি উদ্ভাবন প্রদর্শন করবেন। 
এতে সারা দেশ থেকে ৭৩টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্যিক ব্যাংক, কর্পোরেট ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থা অংশগ্রহণ করবে।

মন্ত্রী আরও জানান, মেলায় ব্যক্তিগত উদ্ভাবক, শিক্ষার্থী, গবেষক, বিশ্ববিদ্যালয়, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, বহুজাতিক কোম্পানি, সরকারি সংস্থা, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় উন্নয়ন সংস্থা, এসএমই, সেবা প্রদানকারী, স্টার্টআপ এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোক্তাদের একই প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা হবে। 

এর মাধ্যমে উদ্ভাবক, বিনিয়োগকারী, গবেষক, শিল্পখাত ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ ও অংশীদারিত্বের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, তিন দিনে ৬টি প্লেনারি সেশন, ৬টি প্যারালাল সেশন এবং ৫টি গোলটেবিল বৈঠকসহ মোট ১৭টি সেশন ও সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে। 
এসব আলোচনায় নীতিনির্ধারক, থিংক ট্যাংক, শিক্ষাবিদ, শিল্পনেতা, গবেষক, তরুণ উদ্ভাবক, বিনিয়োগকারী ও উন্নয়ন সহযোগীরা অংশ নেবেন।

সচিব বলেন, মেলায় প্রদর্শিত এক হাজারেরও বেশি উদ্ভাবনকে কেন্দ্র করে একটি সংযুক্ত ইনোভেশন হাব গড়ে তোলার সূচনা করা হবে। এর মাধ্যমে সম্ভাবনাময় উদ্ভাবন চিহ্নিত করে সেগুলোর উন্নয়ন, অর্থায়ন, সুরক্ষা ও বাজারজাতকরণে সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
 

এ সম্পর্কিত খবর
আরও পড়ুন