শুল্ক কমাবে চীন-যুক্তরাষ্ট্র
এআই সমঝোতায় আলোচনা করবে চীন-যুক্তরাষ্ট্র
টেকস্ক্রল নেটওয়ার্ক
প্রকাশ: ১৩:৪৭, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
এআই সমঝোতায় আলোচনা করবে চীন-যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্র ও চীন দুই দেশ ৩০ বিলিয়ন বা তিন হাজার কোটি ডলারের শুল্ক কমানো ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে আলোচনার বিষয়ে একমত হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের তিন দিনের বৈঠক শেষে শুক্রবার এ সমঝোতার কথা জানায় দুই দেশ।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে চীনে রপ্তানি হওয়া কৃষিপণ্য, কাঠ ও প্রসাধনী এবং চীন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হওয়া ছোট গৃহস্থালি সরঞ্জাম, খেলনা ও সাজসজ্জার সামগ্রীসহ দুই দেশের ৩০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে শুল্ক সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছে।
ওয়াশিংটনে শি জিনপিং ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের তিন দিনের বৈঠক শুক্রবার শেষ হয়। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দুই দেশ একটি বাণিজ্য কাউন্সিল গঠন এবং কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত আগের আলোচনার ফলাফল বাস্তবায়ন অব্যাহত রাখার বিষয়েও একমত হয়েছে।
বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্যবিরতির মেয়াদ দুই মাস বাড়ানোর পর নতুন এই সমঝোতা হলো। বাণিজ্যবিরতির মেয়াদ ১০ নভেম্বর শেষ হওয়ার কথা ছিল। সম্ভাব্য বড় একটি বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে কাজ করার জন্য সময় বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট।
এআই প্রযুক্তির ঝুঁকি ও সুফল নিয়ে আলোচনা চালুর বিষয়েও একমত হয়েছে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র। পরবর্তী আলোচনা নভেম্বরে হবে। এ ছাড়া এআই-সংক্রান্ত কোনো ঘটনা ঘটলে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগের জন্য একটি বিশেষ চ্যানেল চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, দুই দেশের নেতারা ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’-এর পরিবর্তে ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ শব্দটি ব্যবহারে একমত হয়েছেন। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এআই প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে দুই দেশের যোগাযোগ বাড়ানো এবং নতুন পরিস্থিতি অনুযায়ী ঐকমত্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করা উচিত।
এ ছাড়া এশিয়া-প্যাসিফিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা (এপেক) নেতাদের বৈঠক ও জি-২০ সম্মেলন আয়োজনে একে অপরকে সহযোগিতা করার বিষয়েও দুই দেশ একমত হয়েছে। উভয় দেশের নেতাই অন্য দেশের আয়োজিত এসব সম্মেলনে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন।
পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে দুই দেশ একমত হয়েছে, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে হবে। একই সঙ্গে কোনো দেশ বা পক্ষ আন্তর্জাতিক নৌপথে চলাচলের ওপর ট্রানজিট ফি আরোপ করতে পারবে না বলেও জানিয়েছে দুই দেশ।
সূত্র: রয়টার্স













