স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে বৈঠক
গুজব প্রতিরোধে প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতে চায় ইউএনডিপি
টেকস্ক্রল নেটওয়ার্ক
প্রকাশ: ১৯:১৮, ২৫ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১৯:২২, ২৫ আগস্ট ২০২৬
গুজব প্রতিরোধে প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে ইউএনডিপি
ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে গুজব, অপতথ্য ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ঠেকাতে বাংলাদেশকে প্রযুক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা দিতে চায় জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বাংলাদেশের সঠিক ও ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরতেও কাজ করতে আগ্রহী সংস্থাটি।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এর সঙ্গে সাক্ষাতে এ কথা জানান ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিগেজ। বৈঠকে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি, ডিজিটাল মাধ্যমে অপতথ্য এবং বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়।
স্টিফেন রড্রিগেজ বলেন, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে গুজব, অপতথ্য ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ছে। এসব ঠেকাতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কাজ করছে ইউএনডিপি।
অনলাইনে কোনো আইন লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে প্রযুক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা দেওয়ার আগ্রহের কথাও জানান তিনি।
এছাড়াও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বাংলাদেশের প্রকৃত চিত্র সবসময় সঠিকভাবে উঠে আসে না বলে মন্তব্য করেছেন স্টিফেন রড্রিগেজ। বাংলাদেশকে উদার ও ধর্মীয়ভাবে সহনশীল দেশ হিসেবে তুলে ধরতে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।
এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশে ইতোমধ্যে সাইবার সুরক্ষা আইন পাস হয়েছে। আইনটির কার্যকর বাস্তবায়নে ইউএনডিপির লজিস্টিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রয়োজন হতে পারে।
বৈঠকে বাংলাদেশের আইনি ও বিচারিক সংস্কার এবং সংবিধান সংশোধন নিয়েও আলোচনা হয়। ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি বলেন, বর্তমান সরকারের লক্ষ্য ও কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে তারা সহযোগিতা করতে চান। সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়ায়ও সহায়তা দেওয়ার আগ্রহ জানান তিনি।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পরিবেশ সুরক্ষা ও সামাজিক উন্নয়ন নিয়েও কথা হয়। পাহাড় ধস প্রতিরোধসহ বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে ক্যাম্পের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ইউএনডিপি কাজ করছে বলে জানান স্টিফেন রড্রিগেজ।
এছাড়াও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিদ্যমান অবকাঠামো উন্নত ও আধুনিক করতে চায় সরকার। তবে সেখানে নতুন করে অবকাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনা নেই।
এছাড়া ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০২৬’ এবং ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৬’ নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। প্রথমটির খসড়া মন্ত্রিসভায় চূড়ান্ত এবং দ্বিতীয়টির খসড়া নীতিগত অনুমোদন পেয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আগামী সংসদ অধিবেশনে মানবাধিকার কমিশন আইনটি পাস হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।













