প্রযুক্তিতে নতুন সম্ভাবনা
রোবটেও আসছে চ্যাটজিপিটি সুবিধা
টেকস্ক্রল নেটওয়ার্ক
প্রকাশ: ১৫:১২, ২০ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১৫:১৯, ২০ আগস্ট ২০২৬
রোবটেও আসছে চ্যাটজিপিটি সুবিধা
রোবট প্রযুক্তিতে বড় পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছেন চীনের রোবট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইউনিট্রি। প্রতিষ্ঠানটির মতে,এমন সময় আসছে যখন রোবটকে শুধু কথা বা লিখিত নির্দেশ দিলেই তারা নতুন পরিবেশে গিয়ে নিজেরাই বিভিন্ন কাজ করতে পারবে। তিনি এটিকে রোবটের জন্য ‘চ্যাটজিপিটি মুহূর্ত’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
বেইজিংয়ে বিশ্ব রোবট সম্মেলনে প্রধান ওয়াং শিংশিং বলেন, রোবটের যন্ত্র ও নড়াচড়ার ক্ষমতা দ্রুত বাড়ছে। তবে রোবটকে বুদ্ধিমান করে তোলার সফটওয়্যার এখনো সেই গতিতে এগোয়নি। আগামী কয়েক বছরে এ ক্ষেত্রে বড় উন্নতি হতে পারে।
ওয়াংয়ের আশা, ভবিষ্যতে একটি রোবটকে নতুন কোনো বাড়িতে নিয়ে গেলেও সহজ নির্দেশে ঘরের প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ করানো সম্ভব হবে। রান্না, গোছানো বা অন্যান্য দৈনন্দিন কাজেও তখন রোবটকে ব্যবহার করা যেতে পারে।
তবে এই পর্যায়ে পৌঁছাতে আরও সময় লাগবে। আশাবাদী পরিস্থিতিতে দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে বড় অগ্রগতি হতে পারে। পুরোপুরি উন্নত প্রযুক্তি তৈরি হতে পাঁচ থেকে ১০ বছরও লাগতে পারে বলে তিনি জানান।
রোবটের এই পরিবর্তনকে চ্যাটজিপিটির উত্থানের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। ২০২২ সালের শেষ দিকে চ্যাটজিপিটি মানুষের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার দ্রুত বাড়িয়ে দেয়। রোবটের ক্ষেত্রেও এমন একটি বড় পরিবর্তনের অপেক্ষা চলছে।
চীনের আরেক রোবট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান গ্যালবটের প্রধান ওয়াং হে মনে করেন, ২০২৮ সালের মধ্যে এই পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। তাঁর মতে, কোনো বিশেষ প্রশিক্ষণ ছাড়াই রোবট দৈনন্দিন ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ কাজ করতে পারলে সেটিই হবে রোবটের বড় সাফল্য।
ইউনিট্রি এখন রোবটের জন্য ‘বিশ্ব মডেল’ তৈরিতে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। এই প্রযুক্তি রোবটকে আশপাশের পরিবেশ বুঝতে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী কাজ করতে সাহায্য করবে।
নাচ ও কুংফু প্রদর্শনের মাধ্যমে ইউনিট্রির রোবট পরিচিতি পেলেও প্রতিষ্ঠানটি এখন বাস্তব কাজেও এগুলো ব্যবহার করছে। তাদের রোবটের বড় অংশ বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হচ্ছে।
উৎস: রয়টার্স










